এক মায়ের আর্তনাদ ছড়িয়ে গেলো সবখানে, সিন্ডিকেট বাণিজ্য হয়ে গেলো খানখান

Posted by

অর্থনীতি প্রতিদিন: রাজধানীর একটি জনবহুল বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পিঁয়াজ কিনতে এসেছিলেন এক পৌড় মহিলা। দেশের ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া তাঁর সাক্ষাৎকার গ্রহণ করতে গিয়ে বাঁধে বিপত্তি। তিনি আবেগ সামলাতে না পেরে কষ্ট দুঃখ আর হতাশা নিয়ে কথা বলতেই মুহূর্তে তা ভাইরাল হয়ে যায়। সাধারণ মানুষের মনে এতোটাই আঘাত লাগে যে পিঁয়াজ ব্যবহার সীমিত করার আহ্বান আসে।সামাজিক মাধ্যমসহ সর্বত্র পেঁয়াজের ব্যবহার কমিয়ে দিয়ে মুনাফাভোগীদের কোণঠাসা করার একটা আওয়াজ ওঠে। সেটির প্রভাব বাজারে পড়তে দেখা গেছে। সাথে সাথে বাজারে তার প্রভাব পড়ে। মানুষ পিঁয়াজ কেনা কমিয়ে দেয়। যারা অধিক মুনাফার আশায় মজুদ করে ছিলো আর খুচরা পর্যায়ে যারা লোভে চোখ হায়নার মত করে রেখেছে তাদের এখন ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি অবস্থা। এরমধ্যে পিঁয়াজের বাজারের সিন্ডিকেট ভাংতে সব থেকে জোরালো ভূমিকা রাখে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। তাদের নিরলস পরিশ্রম আর অভিযানে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে। তবে একথা বলা যায় যে দেশের রাজনীতি করার মানুষের উপর সাধারণ মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলেছে। জনগণের এই ফুঁসে ওঠা এক ভয়াবহ বিস্ফোরণের ইঙ্গিত।

কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, ভারত আমদানি বন্ধ করলেও মওসুমের এই পর্যায়ে মুড়িকাটা ও আগাম মওসুমের পেঁয়াজ বাজারে আসতে শুরু করেছে। আগামী তিন মাসে প্রায় আট লাখ টন এমন পেঁয়াজের যোগান পাওয়া যাবে। এগুলো শেষ হতে না হতেই চলে আসবে মওসুমের মূল পেঁয়াজ। দেশজুড়ে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর একযোগে অভিযান শুরু করে দুই দিনে দুই শতাধিক প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেছে। কম দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে গিয়ে এসব প্রতিষ্ঠান কেনা রসিদ দেখাতে পারেনি। আবার অনেকে গুদামে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করে ভালো লাভের আশায় পেঁয়াজ বিক্রি বন্ধ রাখতে গিয়ে ধরা খেয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*