বিজেপির ইন্দনে চলছে বাংলাদেশীদের সাথে অশোভন আচরণ

Posted by

খেলা প্রতিদিন: ইট মারলে পাটকেল খেতে হয়। ভারতের দাদাগিরি আর বিজেপির মুসলিম বিদ্বেষী রাজনৈতিক কর্মকান্ড বাংলাদেশের মানুষের মনে কষ্ট দিয়েছে। তার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে লেবরা ছেবড়া ভারতীয় ক্রিকেট দলের পরাজয়ের মাধ্যমে। পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিশাল একটি ভক্তদল আছে বাংলাদেশে। শুধু তাই নয় মমতাকে সুন্দর ভাবে গ্রহন করছে বাংলাদেশের জনগণ। কিন্তু বিজেপি কে নয়। তাইতো ফাইনাল খেলার বেশকিছু দিন কেটে গেলেও ওই খেলার ফলাফল নিয়ে বাংলাদেশের একাংশের উচ্ছাস প্রকাশ যেমন বন্ধ হয়নি সামাজিক মাধ্যমে, তা নিয়ে আবার উল্টোদিকে ভারতীয়দের একাংশও পাল্টা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন। এদের কেউ কেউ আবার সামাজিক মাধ্যমে ‘বয়কট বাংলাদেশ’ ডাক দিচ্ছেন। দুই তরফেই সামাজিক মাধ্যমে নানা পোস্ট-পাল্টা পোস্ট করা অব্যাহত রয়েছে। এ নিয়ে সর্বশেষ যে তরজা চলছে, তা শুরু হয় দার্জিলিংয়ের রায়োপোরাস তাকসাং নামের হোটেলটির একটি ফেসবুক পোস্ট থেকে। ভারতীয়দের একাংশের সামাজিক মাধ্যমে বাংলাদেশকে নানা ক্ষেত্রে বয়কট করার ডাক দেওয়া হচ্ছে। কেউ বাংলাদেশিদের ভিসা না দেওয়ার কথা বলছেন, কেউ বলছেন কলকাতা বই মেলায় বাংলাদেশী প্রকাশকদের যেন স্টল দিতে না দেওয়া হয়। কয়েকজনের পোস্টে চোখে পড়ছে বাংলাদেশী সংস্থার যেসব পণ্য ভারতে পাওয়া যায়, সেগুলো বন্ধ করা হোক।পারমিতা প্রামাণিক নামে এক ফেসবুক ব্যবহারকারী লিখেছেন, “একটা সময় খুব ইচ্ছা হতো বাংলাদেশ যাবো, দেখবো সোনার বাংলা কিন্তু যারা নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রা ভঙ্গা করে তাদের মাঝে কোনো দিন যেতে চাই না।“

চলচ্চিত্র পরিচালক সৃজিত মুখার্জী তার এক্স (আগেকার টুইটার) হ্যাণ্ডেলে অন্য একজনের পোস্ট করা একটি ভিডিও রিপোস্ট করেছেন, যেখানে বিশ্বকাপ ফাইনালের পরে বাংলাদেশিদের উচ্ছসিত হতে দেখা যাচ্ছে। ওই ভিডিওর ওপরে মি. মুখার্জীর ছোট্ট মন্তব্য : “হ্যালো ইন্দিরা গান্ধী, হাই জগমোহন ডালমিয়া”। মনে করা হচ্ছে ১৯৭১-এ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকা আর বাংলাদেশের ক্রিকেটের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রবেশের পিছনে ভারতীয় বোর্ডের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জগমোহন ডালমিয়ার ভূমিকার কথাই মনে করিয়ে দিয়েছেন মি. মুখার্জী।গুজবও ছড়াচ্ছেন অনেক ভারতীয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*