জোরপূর্বক জমি দখলের অভিযোগ

Posted by

কালিয়া প্রতিনিধি : নড়াইলের কালিয়া উপজেলার ডুমুরিয়ায় লিয়াকত আলী শেখের (৬৫) জমি জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ উঠেছে একই এলাকার ইবাদত মোল্লার বিরুদ্ধে। ঔ জমিতে রাতের আধারে ঘর নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসময় বাধা দিতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন ভুক্তভোগীদের পিটিয়ে আহত করে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পাননি বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ভুক্তভোগী লিয়াকত আলী শেখ জানান,আমার বাবার মাতুল সম্পত্তি আমি দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল তরে আসছি। আমার ফুফার কোন ছেলে মেয়ে নেই সেই সুত্রে ফুফা মারা যাওয়ার পর ওয়ারেশ সুত্রে তার ভাগ্নেদের কাছ থেকে ১৯৭৭ সালে এস এ ২৯৭৩ দাগ হতে ২০ শতাংশ জমি ক্রয় করে নেই। তারপর থেকে এই জমি আমি ভোগদখল করে আসছি। মাঠ রেকর্ড,৩০ ধারা, ৩১ ধারা সবই আমার পক্ষে রায় হয়েছে। এই জমি নিয়ে কয়েকবার গ্রাম্যভাবে সালিশী হয়েছে কিন্তু ইবাদত মোল্লার কেউই সালিশী মানে নাই। এরপর জোরপূর্বক তারা জমি দখল করে। আমি তখন ১৪৪ ধারায় মামলা করি কিন্তু তারা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ঐ জায়গায় রাতের আধারে ঘর নির্মান করে। আমরা বাধা দিতে গেলে আমার ছেলে ও স্ত্রী কে বেধড়ক মারপিট করে আহত করে। এ বিষয়ে নড়াগাতী থানায় অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পাইনি। এ ঘটনায় ইবাদত মোল্লার ব্যবহারিত মুঠোফোনের ০১৯২২৩০৩৬৮৭ নাম্বারে যোগাযোগ করলে বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি বলেন, এই জমি মেহের মোল্লার তিনি মারা যাওয়ার পরবর্তিতে তার ভাতিজাদের কাছ থেকে ২ বছর আগে কয়েকটি দাগ মিলে ১৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে নেই। ২৯৭৩ দাগে আমি ভোগদখল করতেছি এবং ৩টি ঘর ও পুকুর কেটেছি। এ বিষয়ে কালিয়া পৌর মেয়র ওহিদুজ্জামান হীরা,শাহী কমিশনার ওসি সাহেব সবাই অবগত আছে। ১৪৪ ধারা থাকার পরও কেন ঘর তুললেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, সে সময় কেউ আমাকে বাধা দেয় নাই। সবাই অফিসার ইনচার্জকে ফোন দিয়ে বলেছে ঐ জায়গা ওয়াল দিয়ে ঘিরে রাখবে কোন বাধা যেন না আসে। আমার উপর থেকে অর্ডার আছে আমি ওয়াল ও গেথে দিবো। ইবাদত মোল্লা সাংবাদিকদের আরো বলেন, বড় নেতারা এই বিষয় নিয়ে ডিল করতেছে তোমরা কোন নিউজ করো না। যদি নিউজ করতে হয় আমার পক্ষে করতে হবে। টাকার দরকার হয় আমার কাছ থেকে নিয়ে যাও। এ জমি নিয়ে থানা আওয়ামীলীগের সভাপতি বশির মিয়াও ডিল করতেছে। এ বিষয়ে নড়াগাতী থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুন বলেন, আমরা কয়েকবার থানায় ডেকেছি কিন্তু ইবাদত মোল্লার কেউ আসে না। তাই বলেছি বিষয়টি কোর্টের মাধ্যমে মিমাংসা করে নিতে। তবে কোন প্রকার আইনশৃঙ্খলার অবনতি হলে আমরা কেউকে ছাড় দিবো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*