তুরষ্কের একটি ছবির রিভিউ

Posted by

মোঃ সবুজ সরদার, বিনোদন সময়: আজ আপনাদের তুরষ্কের একটি ছবির রিভিউ দিয়ে আলোচনা শুরু করবো। মাহির একজন শিক্ষক। সে শহরে বসবাস করে। কিন্তু তাকে হঠাত করে এক পাহাড়ি অঞ্চলে বদলি করে দেয়া হয়। সেখানে সে না গেলে তার পেনশন দিবেনা। তার পেনশনের টাকা পাওয়ার জন্যে সে যেতে রাজি হয়। কিন্তু তার পরিবার তার এই সিদ্ধান্তে রাজি হয় না। শেষ পর্যন্ত মাহির সেই পাহাড়ি এলাকায় যায় এবং পরিবার তাকে যেতে দেয়। সেখানে যাবার সময় পথের মাঝখানে তাকে নামিয়ে দেয়া হয় বাস থেকে। তার গাড়ির পথ নাকি শেষ। এখন সে গ্রামে যেতে হলে তাকে দুইটা পাহাড় অতিক্রম করে যেতে হবে। মাহির যায়। যেয়ে সে খুব অবাক হয়ে যায় এ কারনে যে, সেখানে কোন স্কুল নেই। স্কুল না থাকলেও সেখানে সরকার শিক্ষক পাঠিয়ে দিয়েছে।মাহির স্কুল না থাকাতে সেখানে থাকতে রাজি হয় না। কিন্তু সেখানকার সহজ সরল মানুষের আবেগ আর ভালোবাসার কাছে মাহির হেরে যায়। সে পাহাড়ি এলাকায় থাকতে রাজি হয়। আর নিজের টাকা দিয়ে একটা স্কুল বানিয়ে দেয়। যাতে ছেলে মেয়েরা পড়তে পারে। আর সেখানকার এলাকা প্রধানের প্রতিবন্ধী ছেলে আজিজকে লক্ষ্য করে মাহির। মাহির আস্তে আস্তে আজিজকে পড়ালেখা শিখায় অন্য ছেলে মেয়েদের সাথে।দেশে তখন অরাজকতা। সেনাবাহিনী ক্ষমতা নিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতি থেকে এই পাহাড়ি গ্রাম পুরাপুরি মুক্ত।এই মুভিতে মাহির আর আজিজের ছাত্র শিক্ষক সম্পর্ক আর আজিজের সাথে তার বউয়ের ভালোবাসা দেখানো হয়েছে। কিন্তু একজন প্রতিবন্ধী ছেলের কাছে কে তার মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হবে? আজিজ কি সুস্থ হতে পারে? আজিজের বউ কি আজিজকে মেনে নেয়? শিক্ষক মাহিরের অবদান কি আজিজের জীবনে? পাহাড়ি লোকজনের জীবন কেমন? জানতে মুভিটি দেখুন।

প্রতিক্রিয়াঃ আমরা অনেক মুভি দেখি। নানা দেশের নানা ভাষার। কিন্তু এর মধ্য থেকে অল্প কিছু মুভি আমাদের আবেগী করে তুলে। মুগ্ধ করে। মুভি শেষ হলেও তার ভালোলাগারর রেশ রয়ে আরো কিছু মুহূর্ত। তেমন একটি মুভি হলো এই Mucize মুভিটি। Mucize শব্দের মানে করলে দাঁড়ায় অলৌকিক। মুভিতে এমন কি আছে যে তার জন্যে মুভির এই নাম। কোন সে অলৌকিক ঘটনা? মুভিটি এগিয়ে যায় মুলত দুইটা সম্পর্ক নিয়ে। এক শিক্ষক আর ছাত্রের সম্পর্ক নিয়ে। শিক্ষক এক সমাজসেবক। সমাজ গঠনে তার যে অবদান থাকবে তা এই মুভিতে ভালোভাবে দেখানো হয়। একজন শিক্ষক আসলে চাইলে কি কি করতে পারে তা খুব ভালোভাবে দেখিয়েছে এই মুভিটি। এছাড়া স্বামী স্ত্রীর সম্পর্ক। একজন স্ত্রী তার স্বামীর জন্যে কতটা অনুপ্রেরণাময় হতে পারে তাও মুভিটি খুব ভালোভাবে দেখিয়েছে। এই ছিলো মুভির প্রধান প্লট। এছাড়া সাব প্লট হিসাবে আরো কিছু জিনিষ এসেছে মুভিতে। দেশের রাজনৈতিক অবস্থা। তুরস্কের পাহাড়ি অঞ্চলের বা তাদের ঐতিহ্যগুলো কি তা দেখানো হয়েছে।
মুভিটি নিয়ে অনেক ভালোলাগা কাজ করবে আপনার। মুভির কিছু সিন ছিল দুর্দান্ত। যে দিন প্রথম আজিজ তার শিক্ষক মাহিরের চেষ্টার ফলে কথা বলতে পারে। সে যখন তার বাবার নাম বলে অনেক কষ্টে দাসবুত এলচি। তখন এই সিনটা আপনার মনে নাড়া দিয়ে যাবে। কি দারুণ ছিল। একজন শিক্ষক কি করতে পারে তা মাহির দেখিয়ে দিচ্ছিল। একজন শিক্ষক না শুধু একজন মানুষ কি করতে পারে তাও। মাহির স্কুলের জন্যে যখন টাকা দেয় তখন একটা শর্ত দেয়। যাতে স্কুলে মেয়েদের আসতে দেয়া হয়। মেয়েরাও যাতে শিক্ষা গ্রহন করতে পারে। ছোট ছেলেরা যখন আজিজকে নিয়ে মজা করে বা তাকে মারধর করে তখন মাহির তাদের বাধা দেয়। এই জিনিষগুলো একটা সমাজকে অনেক পরিবর্তন করে দেয়। মুভির শুরুতে তাই মাহিরের কথাটা খুব যথার্থ মনে হয়। মুভির শুরুতে মাহির বলে ” আমি একজন শিক্ষক। সমাজসেবক।” মুভির আরেকটি ভালোলাগার সিন হচ্ছে আজিজের কাগজ দিয়ে বানানো প্লেন উড়ানো। এই সিনটার প্রতি ভালোলাগা কেন তা মুভি দেখলে বুঝবেন।
আর সবচেয়ে ভালোলাগার মুহূর্ত বললে হয়ত বলা হবে সেই সিনটার কথা যখন আজিজ তার বাবাকে বলে, আমি আমার স্ত্রীর প্রেমে পড়েছি। আহা কি দুর্দান্ত। আপনাকে এই সিন আবেগী করে তুলবে। মনে একটা নাড়া দিয়ে যাবে। এছাড়া সেই পাহাড়ি গ্রামের লোকজনের ঐতিহ্য ধরে রাখার ব্যাপারটা ভালো লেগেছে। তাদের বিয়ের রীতিটা খুব পছন্দ হয়েছে। মেয়ে দেখার রীতি। এই রীতির সাথে আমাদের দেশের মেয়ে দেখার রীতির অনেকটা মিল পাওয়া যায়। যদিও এখন তা প্রায় বিলুপ্ত। আমাদের দেশে নাকি একসময় মেয়ে দেখতে আসলে মেয়ের চুল দেখতো। পা দেখত। হাটার জায়গায় পানি ঢেলে দিয়ে। এইসব আরকি। সে তুলনায় এদের রীতিটা একটু ভালো ছিল। আর ওরাযে খুব ধার্মিক তা বলা যায়। কারন মেয়ে যদি কোরআন সম্পর্ক-এ ভালো ধারনা না রাখে তাহলে তারা মেয়ে পছন্দ করছে না। এর ধারা সেই পাহাড়ি অঞ্চলের লোকজনের ধার্মিকতা কেমন তা বুঝানো হয়েছে। মুভিতে কি শুধু ইমোশন ছিল? না ড্রামা মুভিতে ইমোশন একটু থাকবে। এই মুভিতে যদিও ইমোশনের পাল্লা অনেক ভারী ছিল তারপরেও কমেডি ছিল অনেক। আর তাদের পাঞ্চ লাইনগুলো দুর্দান্ত। হঠাত করে বলে দেয়া বাক্যে আপনি না হেসে পারবেননা।
মুভিতে ভালো কিছু ডায়ালগ আছে যেমন “কিছু মানুষের অন্তরে চোখ থাকে। তারা সেই চোখ দিয়ে দেখে।” “আজিজ আমার হৃদয়ের বরফে ঢাকা এক পাহাড়ের নাম। যেখানে কখনো শরত হেমন আসেনি”।
মুভির এন্ডিং নিয়ে একটু অতৃপ্তি আছে। মুভিতে আজিজ আর তার বউয়ের প্রেমটা সেভাবে দেখানো হয়নি। দু’একটা সিন ছিল মাত্র। আর তার বউ কিভাবে তার অনুপ্রেরণা ছিল? সে কিভাবে তার সমস্যা দূর করেছে? সে আসলে কোথায় গিয়েছিল? মাহিরের সাথে আবার তার কিভাবে দেখা হলো? তার খুব সুন্দর জবাব পাওয়া যায়না মুভি থেকে। এত সুন্দর একটা মুভির এমন এন্ডিং মনে একটু অতৃপ্তি নিয়ে আসে। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ আমি আমার বউয়ের প্রেমে পড়েছি ডায়ালগে আবেগী হয়ে গিয়েছিল। এই ডায়ালগ আসলে খুব আবেগ তৈরি করে। ভিতরটা খুব নাড়া দিয়ে যায়। তাই আমার কাছে মনে হয়েছিল যদি আজিজ আর তার বউয়ের সেই সংগ্রামের দিনগুলো একটু দেখাতো তাহলে আরো ভালো হতো। নিশ্চই আজিজের সেই দিনগুলো খুব সহজ ছিল না। কিন্তু হঠাত করে আজিজের আবির্ভাব মনকে আবেগী বা নাড়া দিয়ে গেলেও কোথায় যেন খচখচ করে। আসলে বড্ড সুন্দর মুভিতো একটু অপূর্ণতা বড় করে দেখা দেয়।

মুভি পরিচালনা করেছে Mahsun Kırmızıgül. একজন পরিচালকের কাজ হচ্ছে ক্যামেরা দিয়ে গল্প বানানো। পরিচালক খুব সুন্দরভাবে, বাস্তবভাবে গল্পটা আমাদের বলেছেন। তাতে কোন বিরক্তি আসেনা। ইমোশন, কমেডি সব যেন যথাযথ ছিল। কোন বাড়াবাড়ি ছিলনা। গল্পটা ভালোভাবে অনুভব করতে হয় একজন পরিচালককে। নাহলে তিনি দর্শকে তা বলবেন কিভাবে? এই মুভির পরিচালক তাই বলা যায় উনার কাজ খুন দারুণভাবে শেষ করেছেন।
মুভির গল্পটাও উনার লেখা। একজন লেখক কলম দিয়ে গল্প বলেন পরিচালক ক্যামেরা দিয়ে। Mahsun Kırmızıgül দুইটি কাজ খুব ভালোভাবে করেছেন। ভালো গল্পকার হলে পরিচালনা অনেক সহজ হয়ে যায়। দর্শকের সাইকোলজি বুঝতে পারে। গল্পটা যেমন সুন্দর ছিল তেমন সুন্দর করে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই Mahsun Kırmızıgül.

মুভির মিউজিকে ছিলেন Tevfik Akbasli, Yildiray Gürgen, Mahsun Kirmizigül. এরা তিনজন অসাধারণ কাজ করেছে। মুভির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ছিল দুর্দান্ত। কিছু কিছু মুহূর্ত ছিল জাস্ট ওয়াও। বিশেষ করে আজিজের বাবার নাম বলা বা আজিজের বউকে গ্রামের অন্য মেয়েরা যখন কথা শোনায় তখন আজিজ কিছু করতে পারেনা। এর পরে ঘোড়ায় চড়ে যাবার সময়। পাহাড়ের কিনারায় দাঁড়িয়ে কাগজের প্লেন উড়ানো। এইসব মুহূর্তগুলোর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দারুণ ছিল। বিয়ের সময় বা ডাকাতের দলের এন্ট্রির সময় মিউজিক ভালো ছিল। আর খুব ছোট ছোট জিনিসের আওয়াজগুলো দারুনভাবে দিয়েছেন তারা। হাটার আওয়াজ, ঘোড়ার হাটা, বা জিনিসপত্র নাড়াচাড়া করার আওয়াজ দিয়েছন দারুন করে।

সিনেমাটোগ্রাফি এর দায়িত্ব ছিল Soykut Turan. আহা এই লোকটার এই মুভিতে কাজ নিয়ে বলে শেষ করা যাবেনা। পুরো মুভিতে তিনি দুর্দান্ত কাজ করেছেন। চোখের শান্তি দেয় প্রত্যেকটি ফ্রেম।তুরস্ক অনেক সুন্দর জায়গা। এই সুন্দরতাকে দারুনভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তিনি। পাহাড়ি এলাকাগুলো এত দারুন ছিল তা বুঝানো যাবেনা।
মুভিতে প্রচুর লং শট ছিল। আর এই লং শটগুলো পাহাড়ি সৌন্দর্য তুলে ধরে দারুণভাবে। পাহাড়গুলো চোখে ধরা দেয় অন্যরকম সুন্দরভাবে। মাহির যখন প্রথম যায় তখন লং শটে হলুদ পাহাড় দারুন লাগে।লং শটে দূর পাহাড়ের উপরে বরফের আস্তরন অন্যরকম ভালোলাগে।মুভিতে একটা ভার্টিগো শট আছে। আর তা পরিস্থিতির সাথে দারুনভাবে মিলে যায়। ক্লোজ শটগুলোও দুর্দান্ত লাগে অভিনেতা অভিনেত্রীদের দারুন অভিনয়ের কারনে।মুভির অন্যতম প্রধান চরিত্র ছিল শিক্ষক মাহির। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন Talat Bulut. তিনি দুর্দান্ত ছিলেন তার জায়গায়। পুরো মুভিতে তার অভিনয় আপনাকে মুগ্ধ করবে। সেই পাহাড়ি গ্রামে প্রথম যে দিন যায় সেদিন অনেকগুলো বন্দুকের সামনে যখন পড়লো তখন তার এক্সপ্রেশন বা ডাকাত দলের সামনে তখন। তিনি দুর্দান্ত ছিলেন। আজিজের সাথে তার জুটি দারুণ ছিল মুভি জুড়ে। ছাত্রদের পড়ানো। আজিজের জন্যে চেষ্টা করা। আজিজের ছোট সাফল্যে তার মুগ্ধ করা হাসি আপনার মন ছুয়ে যাবে। আর যখন সে বিদায় নেয় তখন তার অভিনয় আপনার ভালো লাগবে।

এই মুভির প্রান ছিল আজিজ চরিত্রটি। এই চরিত্রে অভিনয় করেছেন Mert Turak. এই চরিত্র নিয়ে কিছু বলার নেই। এই চরিত্র আপনাকে মুগ্ধ করবে প্রতিটি মুহূর্ত। কি অসাধারণ অভিনয় তিনি করেছেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। যতক্ষণ স্ক্রীনে ছিলেন তা নিজের করে নিয়েছেন তিনি। তাকে দেখলে আপনার সত্যি সত্যি মনে হবে যে এই লোক একজন প্রতিবন্ধী। তিনি অভিনয় করছেন না। তিনি আসলে এমন। এত দারুণ ছিলেন তিনি। কোন খুত ছিলোনা অভিনয়ে। পুরোটা এত বাস্তব ছিলো যে আপনি দেখলে তা বুঝতে পারবেন। এক বাকা করে রাখা, ঠোট বাকা, এক পা টেনে টেনে হাটা দেখলে মনে হবে আসলে লোকটা এমন।
ও যখন বাবার নাম বলে ওই সিনটা। বা মা যখন ভাইদের জন্যে বা পরে নিজের জন্যে মেয়ে দেখতে যায় তখন। বা নিজের বউ যখন কান্না করে তার চোখের পানি মুছে দেয়া। বউকে অপমান করলে তার জবাবে কিছু বলতে না পারার কষ্ট এত দারুনভাবে তিনি দেখিয়েছেন যে তা আপনার মন ছুয়ে যাবে। বউকে প্রথম দেখে তার বিস্ময়। তারপরে ভালোলাগা। সেটা প্রকাশ করা মুহূর্তগুলোতে দারুন ছিলেন তিনি। এককথায় পুরো মুভিতে অনবদ্য ছিলেন তিনি। আর যখন শেষ ডায়ালগ দেয় ” আমি আমার বউয়ের প্রেমে পড়েছি” তখন এই লোকটার জন্যে যে আপনি একটু আবেগী হয়ে যাবেন তা বলে দেয়া যায়।
এছাড়া বাকি অভিনেতা অভিনেত্রীরা দারুন ছিলো। দাসবুত এলচি, হায়দার আর আজিজের মা, ভাবীরা সবাই যার যার জায়গায় দারুণ ছিলেন। আজিজের ভাইরা চমৎকার ছিল। বিশেষ করে জালালের কথা বলতে হয়। এই লোকটার কমেডিগুলো দারুণ ছিল।
দাসবুত এলচি এই লোকটার অভিনয় দারুণ ছিল। তার ছেলে আজিজের জন্যে তার কষ্ট হয়। তার কথা না বুঝার কষ্ট। এইসব মুহূর্তগুলো দাসবুত এলচি দারুণ ছিলেন।

মুভির সেট ডিজাইনার বা কস্টিউম ডিজাইনারদের কাজ ছিল দারুণ। পুরো মুভি খুব বাস্তব ছিল। কোন কিছুতে বাড়াবাড়ি ছিলোনা। অভিনেতা অভিনেত্রীদের কাপড়। সেট ডিজাইন দারুণ ছিল। তারা অসাধারণ এক কাজ দেখিয়েছে।

পুরো মুভিতে নাচ গান কিছু নেই। আছে দারুণ একটি গল্প। আর কলাকুশলীদের অসাধারণ অভিনয়। পরিচালকের চমৎকার কাজ। আর দুর্দান্ত ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। আর ভালো লাগার মতো দারুণ কিছু ক্যামেরার কাজ। যারা গল্প নির্ভর কাজ পছন্দ করেন বা অভিনয় নির্ভর। তাদের জন্যে এটি মাস্টওয়াচ মুভি। আর যারা পছন্দ করেননা তাদের জন্যে দেখা উচিত বলে মনে করি। হয়ত ভালো কিছু পেয়ে যাবেন। ভালো একটা শিক্ষা দেয় এই মুভিটি। ভালোবাসার শক্তি অনেক বেশি। আর মন থেকে কিছু চাইলে সবকিছু সম্ভব। হয়ত জীবনে চলার পথে শিক্ষক মাহিরের মতো কাউকে দরকার বা জীবন উজাড় করে ভালোবাসার মতো।
আর একজন শিক্ষক সমাজে কি অবদান রাখতে পারে তা এই মুভি ভালোভাবে দেখায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*